০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা মরহুম কাস্টম জালাল উদ্দীনের কন্যাকে এমপি হিসেবে চান আনোয়ারা-কর্ণফুলীবাসী

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : ০৫:১৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৭ বার পঠিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠনের পর এবার আলোচনার কেন্দ্রে সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন। ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন রমজান মাসেই হবে বলে আভাস দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিএনপি জোটের ভাগে ৩৭টি আসন পড়তে পারে। এসব আসনে মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেত্রীরা। নির্বাচন কমিশনের তফশিল অনুযায়ী দলীয় মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হবে। বিএনপির শতাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী ইতোমধ্যে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর চট্টগ্রাম জেলায় এবার সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন নিয়ে চলছে আলোচনা। জেলা শহরের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গন, সবখানেই আলোচনা, কে পাচ্ছেন সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন? এই আলোচনায় উঠে এসেছে চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের তরুণ রাজনৈতিক সংগঠক সায়মা আহমেদ এর নাম। তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ সভাপতি প্রয়াত কাস্টম জালাল উদ্দীন আহমেদের কন্যা ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য অ্যাডভোকেট কবির চৌধুরীর ভাতিজী। তৃণমূল রাজনীতি থেকে উঠে আসা এই নেত্রীকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দেখছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

জানা গেছে, ডা. জুবাইদা রহমানের আস্থাভাজন হিসাবে পরিচিত সায়মা আহমেদ এমবিএ (ফিনান্স এন্ড ব্যাংকিং)। তিনি দীর্ঘদিন ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এছাড়াও তিনি জাস ট্রেডিং লিমিটেড (ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং জাস ট্রেডিং হাউজ (ট্রেডিং) স্বত্বাধিকারী।ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-এর রাজনীতিতে সক্রিয়।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আনোয়ারার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে তাঁর প্রয়াত পিতা জালাল উদ্দিন আহমেদের অবদান স্থানীয়দের কাছে প্রশংসিত। তিনি দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন এবং দুঃসময়ে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেন।

রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে তাঁদের পরিবারের এই সক্রিয় উপস্থিতি দক্ষিণ জেলায় সুপরিচিত। এ প্রেক্ষাপটে স্থানীয় অনেক নেতাকর্মী ও সমর্থক মত প্রকাশ করে বলেন, বিএনপির দূর্গের কারিগর জালাল উদ্দিন আহমেদের কন্যা সাইমা আহমেদকে দক্ষিণ জেলা সংরক্ষিত আসনের প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হলে তা এলাকাবাসীর প্রত্যাশার প্রতিফলন হবে। তাঁদের মতে, পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য ও সামাজিক সম্পৃক্ততার ধারাবাহিকতায় তিনি ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

জালাল উদ্দীন আহমেদ দলের দুঃসময়ে এ আসনকে বিএনপির দুর্গ হিসেবে গড়ে তুলেছেন। তাঁর রাজনৈতিক নেতৃত্ব এ অঞ্চলের রায়পুর উপকূলবাসী চিরজীবন স্মরণ রাখবে। ফ্যাসিবাদী এবং স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে তাঁরই কন্যা রাজনৈতিক প্রজ্ঞাদিয়ে নেতাকর্মী সমর্থকদের সাহস যুগিয়েছেন। তাঁরই পিতা ছিলেন উপকূলবাসীর স্বপ্ন পুরুষ। এ অঞ্চলের সর্বস্তরের জনগণ সায়মা আহমেদকে মহিলা সংরক্ষিত আসনে এমপি হিসেবে দেখতে চান বলে জানিয়েছে স্থানীয় তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মীরা।

অবহেলিত এ জনগোষ্ঠীর প্রত্যাশা সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে সায়মা আহমেদকে দল থেকে মূল্যায়ন করলে এ এলাকার মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে, সেই সাথে এ জনপদের মানুষকে নিয়ে প্রয়াত কাস্টম জালাল উদ্দীন আহমেদের স্বপ্ন পূরণ হবে এবং বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই মানবিক নারী নেতৃত্বকে যথাযথ মূল্যায়ন করবেন- এমনটাই আশা এ জনপদের মানুষের।

জানতে চাইলে সংরক্ষিত নারী আসনে দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী সায়মা আহমেদ বলেন, ‘দলের জন্য কাজ করেছি। দলের আন্দোলন-সংগ্রামে এবং জিয়া পরিবারের দুঃসময়ে পাশে থেকেছি। দলের নেতৃত্বের প্রতি অনুগত ছিলাম। কাজের মূল্যায়ন দল করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

Tag :
About Author Information

আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি রয়েছে সৌম্যর সরকারের মধ্যে

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে পাচঁলাইশ কল্যাণ সমিতির আলোচনা সভা

কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা মরহুম কাস্টম জালাল উদ্দীনের কন্যাকে এমপি হিসেবে চান আনোয়ারা-কর্ণফুলীবাসী

আপডেট টাইম : ০৫:১৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠনের পর এবার আলোচনার কেন্দ্রে সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন। ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন রমজান মাসেই হবে বলে আভাস দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিএনপি জোটের ভাগে ৩৭টি আসন পড়তে পারে। এসব আসনে মনোনয়ন পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেত্রীরা। নির্বাচন কমিশনের তফশিল অনুযায়ী দলীয় মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হবে। বিএনপির শতাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী ইতোমধ্যে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর চট্টগ্রাম জেলায় এবার সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন নিয়ে চলছে আলোচনা। জেলা শহরের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গন, সবখানেই আলোচনা, কে পাচ্ছেন সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন? এই আলোচনায় উঠে এসেছে চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের তরুণ রাজনৈতিক সংগঠক সায়মা আহমেদ এর নাম। তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ সভাপতি প্রয়াত কাস্টম জালাল উদ্দীন আহমেদের কন্যা ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য অ্যাডভোকেট কবির চৌধুরীর ভাতিজী। তৃণমূল রাজনীতি থেকে উঠে আসা এই নেত্রীকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দেখছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

জানা গেছে, ডা. জুবাইদা রহমানের আস্থাভাজন হিসাবে পরিচিত সায়মা আহমেদ এমবিএ (ফিনান্স এন্ড ব্যাংকিং)। তিনি দীর্ঘদিন ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এছাড়াও তিনি জাস ট্রেডিং লিমিটেড (ইমপোর্ট-এক্সপোর্ট) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং জাস ট্রেডিং হাউজ (ট্রেডিং) স্বত্বাধিকারী।ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-এর রাজনীতিতে সক্রিয়।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আনোয়ারার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে তাঁর প্রয়াত পিতা জালাল উদ্দিন আহমেদের অবদান স্থানীয়দের কাছে প্রশংসিত। তিনি দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন এবং দুঃসময়ে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেন।

রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে তাঁদের পরিবারের এই সক্রিয় উপস্থিতি দক্ষিণ জেলায় সুপরিচিত। এ প্রেক্ষাপটে স্থানীয় অনেক নেতাকর্মী ও সমর্থক মত প্রকাশ করে বলেন, বিএনপির দূর্গের কারিগর জালাল উদ্দিন আহমেদের কন্যা সাইমা আহমেদকে দক্ষিণ জেলা সংরক্ষিত আসনের প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হলে তা এলাকাবাসীর প্রত্যাশার প্রতিফলন হবে। তাঁদের মতে, পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্য ও সামাজিক সম্পৃক্ততার ধারাবাহিকতায় তিনি ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

জালাল উদ্দীন আহমেদ দলের দুঃসময়ে এ আসনকে বিএনপির দুর্গ হিসেবে গড়ে তুলেছেন। তাঁর রাজনৈতিক নেতৃত্ব এ অঞ্চলের রায়পুর উপকূলবাসী চিরজীবন স্মরণ রাখবে। ফ্যাসিবাদী এবং স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে তাঁরই কন্যা রাজনৈতিক প্রজ্ঞাদিয়ে নেতাকর্মী সমর্থকদের সাহস যুগিয়েছেন। তাঁরই পিতা ছিলেন উপকূলবাসীর স্বপ্ন পুরুষ। এ অঞ্চলের সর্বস্তরের জনগণ সায়মা আহমেদকে মহিলা সংরক্ষিত আসনে এমপি হিসেবে দেখতে চান বলে জানিয়েছে স্থানীয় তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মীরা।

অবহেলিত এ জনগোষ্ঠীর প্রত্যাশা সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে সায়মা আহমেদকে দল থেকে মূল্যায়ন করলে এ এলাকার মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে, সেই সাথে এ জনপদের মানুষকে নিয়ে প্রয়াত কাস্টম জালাল উদ্দীন আহমেদের স্বপ্ন পূরণ হবে এবং বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই মানবিক নারী নেতৃত্বকে যথাযথ মূল্যায়ন করবেন- এমনটাই আশা এ জনপদের মানুষের।

জানতে চাইলে সংরক্ষিত নারী আসনে দলের মনোনয়নপ্রত্যাশী সায়মা আহমেদ বলেন, ‘দলের জন্য কাজ করেছি। দলের আন্দোলন-সংগ্রামে এবং জিয়া পরিবারের দুঃসময়ে পাশে থেকেছি। দলের নেতৃত্বের প্রতি অনুগত ছিলাম। কাজের মূল্যায়ন দল করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’