০২:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন

কক্সবাজারের উখিয়া ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট ৩ ঘণ্টার চেষ্টায়ও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। এরইমধ্যে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে রোহিঙ্গাদের ৩ শতাধিক বসতি
শুক্রবার (২৪ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ১৩ নম্বর তাজনিমার খোলা ক্যাম্পের ডি ব্লকে কাঁঠাল গাছতলায় একটি বাজারে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন পার্শ্ববর্তী ক্যাম্পের বসত ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের অতিরিক্ত কমিশনার শামসুদ দৌজা নয়ন জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে উখিয়া টেকনাফ এবং কক্সবাজার জেলা সদর থেকে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।
উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক কামাল হোসেন বলেন, প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টায় আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনে দোকানসহ পাঁচ শতাধিক ঘর পুড়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কামাল হোসেন আরো জানান, জরিপের পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিশ্চিত করা যাবে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ করেছে বলে জানান তিনি।
রোহিঙ্গাদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে ১৩ নম্বর ক্যাম্পের ডি ব্লকে এনজিও কারিতাসের বিতরণ সেন্টার থেকে আগুনের সূত্রপাত।
ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী, এপিবিএন পুলিশ, রেড ক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মীরা উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছে। তারা অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত এবং ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত কমিশনার শামসুদ দৌজা নয়ন

Tag :
About Author Information

আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি রয়েছে সৌম্যর সরকারের মধ্যে

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় নাসরিন বাপ্পির ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন

আপডেট টাইম : ০৯:১৯:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪

কক্সবাজারের উখিয়া ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট ৩ ঘণ্টার চেষ্টায়ও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। এরইমধ্যে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে রোহিঙ্গাদের ৩ শতাধিক বসতি
শুক্রবার (২৪ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ১৩ নম্বর তাজনিমার খোলা ক্যাম্পের ডি ব্লকে কাঁঠাল গাছতলায় একটি বাজারে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন পার্শ্ববর্তী ক্যাম্পের বসত ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের অতিরিক্ত কমিশনার শামসুদ দৌজা নয়ন জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে উখিয়া টেকনাফ এবং কক্সবাজার জেলা সদর থেকে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।
উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক কামাল হোসেন বলেন, প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টায় আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনে দোকানসহ পাঁচ শতাধিক ঘর পুড়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কামাল হোসেন আরো জানান, জরিপের পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিশ্চিত করা যাবে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ করেছে বলে জানান তিনি।
রোহিঙ্গাদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে ১৩ নম্বর ক্যাম্পের ডি ব্লকে এনজিও কারিতাসের বিতরণ সেন্টার থেকে আগুনের সূত্রপাত।
ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী, এপিবিএন পুলিশ, রেড ক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন সংস্থার কর্মীরা উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছে। তারা অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত এবং ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত কমিশনার শামসুদ দৌজা নয়ন