১২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে বেহেশত’ এমন প্রচারণায় যা বললেন মির্জা ফখরুল

দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে এমন রাজনৈতিক প্রচারণার সমালোচনা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে নাকি বেহেশতে চলে যাওয়া যাবে, হায় হায় হায়। চিন্তা করেন, তাইলে আর আমার নামাজ পড়া, আল্লাহর কাছে কমপ্লিট সারেন্ডার করা, ঈমান আনা এগুলার দরকার নাই নাকি?’

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকায় একটি আলোচনা সভায় এই কথা বলেন তিনি।

অন্তর্বর্তী সরকার যে সংস্কারের কথা বলছে সেটা বিএনপি ২০২২ সালে তুলে ধরেছিলো বলেও দাবি করেন তিনি।

সংস্কার প্রশ্নে সব রাজনৈতিক দল যেসব বিষয়ে একমত হয়েছে সেগুলো ছাড়াও কিছু বিষয় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন মির্জা ফখরুল।

‘সুতরাং সংস্কার যেটুকু হয়েছে যেটাতে একমত হয়েছে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলো। অবশ্যই আমাদের হ্যাঁ ছিল, না নাই। কিন্তু তোমরা কারসাজি করেছো, তোমরা কিছুটা বেঈমানি করেছো। আমার বলতে কোনো দ্বিধা নাই যেগুলা আমরা একমত হই নাই সেগুলা ঢুকিয়ে দিয়েছো, তারপরও আমরা কিন্তু মেনে নিয়েছি’, বলেন তিনি।

দেশের বৃহত্তর স্বার্থে, জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে বিএনপির কাছে গ্রহণযোগ্য না হলেও মেনে নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

একইসঙ্গে আগামী নির্বাচনের ফলেই ‘দেশ লিবারেল ডেমোক্রেসি, নাকি উগ্রপন্থিদের হাতে যাবে সেটি নির্ধারিত হবে’ বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি রয়েছে সৌম্যর সরকারের মধ্যে

আসন্ন নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে বেহেশত’ এমন প্রচারণায় যা বললেন মির্জা ফখরুল

আপডেট টাইম : ০৯:১৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে বেহেশতে যাওয়া যাবে এমন রাজনৈতিক প্রচারণার সমালোচনা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে নাকি বেহেশতে চলে যাওয়া যাবে, হায় হায় হায়। চিন্তা করেন, তাইলে আর আমার নামাজ পড়া, আল্লাহর কাছে কমপ্লিট সারেন্ডার করা, ঈমান আনা এগুলার দরকার নাই নাকি?’

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকায় একটি আলোচনা সভায় এই কথা বলেন তিনি।

অন্তর্বর্তী সরকার যে সংস্কারের কথা বলছে সেটা বিএনপি ২০২২ সালে তুলে ধরেছিলো বলেও দাবি করেন তিনি।

সংস্কার প্রশ্নে সব রাজনৈতিক দল যেসব বিষয়ে একমত হয়েছে সেগুলো ছাড়াও কিছু বিষয় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন মির্জা ফখরুল।

‘সুতরাং সংস্কার যেটুকু হয়েছে যেটাতে একমত হয়েছে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলো। অবশ্যই আমাদের হ্যাঁ ছিল, না নাই। কিন্তু তোমরা কারসাজি করেছো, তোমরা কিছুটা বেঈমানি করেছো। আমার বলতে কোনো দ্বিধা নাই যেগুলা আমরা একমত হই নাই সেগুলা ঢুকিয়ে দিয়েছো, তারপরও আমরা কিন্তু মেনে নিয়েছি’, বলেন তিনি।

দেশের বৃহত্তর স্বার্থে, জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে বিএনপির কাছে গ্রহণযোগ্য না হলেও মেনে নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

একইসঙ্গে আগামী নির্বাচনের ফলেই ‘দেশ লিবারেল ডেমোক্রেসি, নাকি উগ্রপন্থিদের হাতে যাবে সেটি নির্ধারিত হবে’ বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল।