০৩:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে নতুন রেল নেটওয়ার্ক তৈরি করবে ভারত

উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে দূরত্ব কমাতে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বিকল্প রেল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে চায় ভারত। টাইমস অব ইন্ডিয়া প্রতিবেদনে গত রোববার (১৬ জুন) এ তথ্য জানানো হয়।
বর্তমানে সিলিগুড়ি করিডর দিয়ে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে অন্যান্য রাজ্যগুলোতে ট্রেন চলাচল করে। যা ‘চিকেন নেক’ নামে পরিচিত। ২২ কিলোমিটার প্রশস্ত এই করিডরটি বাংলাদেশ ও নেপালের মাঝ বরাবর অঞ্চল দিয়ে গেছে। এখন ‘চিকেন নেক’ নামের এই করিডরটির ওপর থেকে নির্ভরশীলতা কমাতে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বিকল্প রেল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে চাইছে ভারত।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভারত বাংলাদেশে রেললাইন তৈরি করবে ১৯৮০ সালের বাণিজ্য চুক্তির সুবিধা নিয়ে।

সামরিক এবং বেসামরিক পণ্য পরিবহণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘চিকেন নেক’ রেল করিডরটি নিয়ে ২০১৭ সালে বেশ দুশ্চিন্তায় পড়ে ভারত। কারণ ওই বছর ডোকলাম অঞ্চল নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে বিবাদ দেখা দেয়। আর এই রেল করিডরটি তখন বিবাদমান অঞ্চলের মাঝে পড়ে যায়। যা দেশটির জন্য চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়

Tag :
About Author Information

আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি রয়েছে সৌম্যর সরকারের মধ্যে

রাউজানে দিনদুপুরে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা

বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে নতুন রেল নেটওয়ার্ক তৈরি করবে ভারত

আপডেট টাইম : ০৫:৩৩:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪

উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে দূরত্ব কমাতে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বিকল্প রেল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে চায় ভারত। টাইমস অব ইন্ডিয়া প্রতিবেদনে গত রোববার (১৬ জুন) এ তথ্য জানানো হয়।
বর্তমানে সিলিগুড়ি করিডর দিয়ে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সঙ্গে অন্যান্য রাজ্যগুলোতে ট্রেন চলাচল করে। যা ‘চিকেন নেক’ নামে পরিচিত। ২২ কিলোমিটার প্রশস্ত এই করিডরটি বাংলাদেশ ও নেপালের মাঝ বরাবর অঞ্চল দিয়ে গেছে। এখন ‘চিকেন নেক’ নামের এই করিডরটির ওপর থেকে নির্ভরশীলতা কমাতে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বিকল্প রেল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে চাইছে ভারত।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভারত বাংলাদেশে রেললাইন তৈরি করবে ১৯৮০ সালের বাণিজ্য চুক্তির সুবিধা নিয়ে।

সামরিক এবং বেসামরিক পণ্য পরিবহণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘চিকেন নেক’ রেল করিডরটি নিয়ে ২০১৭ সালে বেশ দুশ্চিন্তায় পড়ে ভারত। কারণ ওই বছর ডোকলাম অঞ্চল নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে বিবাদ দেখা দেয়। আর এই রেল করিডরটি তখন বিবাদমান অঞ্চলের মাঝে পড়ে যায়। যা দেশটির জন্য চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়